ঢাকাMonday , 16 May 2022
  • অন্যান্য

টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

admin
May 16, 2022 4:51 pm
Link Copied!

টাঙ্গাইলে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুটাঙ্গাইলে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম মো. রিয়াজ উদ্দিন (৩৮)। তিনি ঘাটাইল উপজেলার গারো বাজার গ্রামের বশির উদ্দিনের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় রিয়াজ উদ্দিন আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে রিয়াজ উদ্দিন পলাতক বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আলী আহমদ বলেন, ২০০৯ সালের ১০ আগস্ট রিয়াজ উদ্দিন ১০ হাজার টাকা যৌতুকের দাবিতে তাঁর স্ত্রী লিজা আক্তারকে (২০) মারধর করেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় লিজাকে প্রথমে ফুলবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৭ আগস্ট লিজা মারা যান।

লিজা ফুলবাড়িয়া উপজেলার এনায়েতপুর গ্রামের আবদুল কদ্দুসের মেয়ে। ঘটনার পর ২০০৯ সালের ১৯ আগস্ট লিজার ভাই আজাহার আলী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে একই বছরের ২০ নভেম্বর ঘাটাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সুলতান আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলায় ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এই রায় দেন।নালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এ রায় দেন।
টাঙ্গাইলে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম মো. রিয়াজ উদ্দিন (৩৮)। তিনি ঘাটাইল উপজেলার গারো বাজার গ্রামের বশির উদ্দিনের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় রিয়াজ উদ্দিন আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে রিয়াজ উদ্দিন পলাতক বলে জানা গেছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আলী আহমদ বলেন, ২০০৯ সালের ১০ আগস্ট রিয়াজ উদ্দিন ১০ হাজার টাকা যৌতুকের দাবিতে তাঁর স্ত্রী লিজা আক্তারকে (২০) মারধর করেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় লিজাকে প্রথমে ফুলবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৭ আগস্ট লিজা মারা যান।

লিজা ফুলবাড়িয়া উপজেলার এনায়েতপুর গ্রামের আবদুল কদ্দুসের মেয়ে। ঘটনার পর ২০০৯ সালের ১৯ আগস্ট লিজার ভাই আজাহার আলী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে একই বছরের ২০ নভেম্বর ঘাটাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সুলতান আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলায় ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এই রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম মো. রিয়াজ উদ্দিন (৩৮)। তিনি ঘাটাইল উপজেলার গারো বাজার গ্রামের বশির উদ্দিনের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় রিয়াজ উদ্দিন আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে রিয়াজ উদ্দিন পলাতক বলে জানা গেছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আলী আহমদ বলেন, ২০০৯ সালের ১০ আগস্ট রিয়াজ উদ্দিন ১০ হাজার টাকা যৌতুকের দাবিতে তাঁর স্ত্রী লিজা আক্তারকে (২০) মারধর করেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় লিজাকে প্রথমে ফুলবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৭ আগস্ট লিজা মারা যান।

লিজা ফুলবাড়িয়া উপজেলার এনায়েতপুর গ্রামের আবদুল কদ্দুসের মেয়ে। ঘটনার পর ২০০৯ সালের ১৯ আগস্ট লিজার ভাই আজাহার আলী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে একই বছরের ২০ নভেম্বর ঘাটাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সুলতান আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলায় ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এই রায় দেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।