জিহাদ আহমেদ
জামালপুর জেলা প্রতিনিধি
জিয়াই বঙ্গবন্ধু হত্যার মাস্টারপ্ল্যানার। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর সহ পরিবারের সকল সদস্য কে হত্যা করে জিয়া খুশি হতে পারেনি। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার যাতে কোনদিন এই বাংলার মাটিতে না হয় তাই ইনডেমনিটি বিল পাশ করে
সামরিক শাসক জিয়া।
স্বজন হারানোর শোক নিয়ে সব প্রতিবন্ধকতা পার করে
৮১ সালে বাংলার মানুষের ভালোবাসা এবং পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নে দেশে ফিরেছেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা।
সেদিনও খুনি জিয়া ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে প্রবেশ করতে দেয়নি।
৭৫ এ শেখ হাসিনা শেখ রেহেনা কে খুন করতে পারেনি,
তাদের কে দমিয়েও রাখতে পারেনি জিয়া।
তারই ধারাবাহিকতায় খুনিদের প্রেতাত্মারা বারবার শেখ হাসিনার উপর আক্রমন চালিয়েছে।
সর্বশেষ ২০০৪ সালে ৭৫ পরবর্তী সবচেয়ে বড় হামলা করা হয় শেখ হাসিনার উপর।
স্বামীর দেখানো পথ ধরে খালেদা তার কুলাঙ্গার ছেলে কে সাথে নিয়ে শেখ হাসিনার উপর চরম আঘাত হানে।
আল্লাহর রহমতে শেখ হাসিনা বেঁচে থাকলেও সেদিন গ্রেনেড হামলায় ২৪ জন নেতাকর্মী নিহত হয়।
বিএনপি জামাতের শাসনামল কে পাকিস্তানি বাহিনীর নির্যাতনের সাথে তুলন করে পপি বলেন,
আমি ৭১ সালে পাকবাহিনীর নির্যাতন দেখিনি তবে বিএনপি জামাতের শাসনামলে খুন,ধর্ষণ এবং মেধাবীদের হত্যার ঘটনা দেখেছি।
শনিবার (২৭ আগস্ট) রাতে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য মারুফা আক্তার পপি।
তিনি আরো বলেন, অনেকেই বলে আওয়ামী লীগের অনেক নেতা বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত।
আসলে আওয়ামী লীগের কোন নেতা জড়িত নয়, তারা ছিল সুবিধাবাদী। এরকম সুবিধাবাদী নেতা সবসময়ই থাকে, এখনো আছে।
তবে দেশরত্ন শেখ হাসিনার আস্হা তৃণমূলে। তৃণমূল কর্মীরা কখনোই বিট্রে করেনি, না বঙ্গবন্ধুর সাথে, না শেখ হাসিনার সাথে।
অভিমানে দূরে সরে না গিয়ে শেখ হাসিনার জন্য কাজ করে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে পপি বলেন, পরীক্ষিত কর্মীরা টিকে থাকে সুবিধাবাদীরা হারিয়ে যায়।
জামালপুর সদর উপজেলার চরশী কান্দাপাড়ার ‘তরুণ সংঘের’ আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এসব কথা বলেন তিনি।
জামালপুর সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ নেতা বাবু বিজন কুমার চন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
