খলিলুর রহমান( জীম) ইবি প্রতিনিধি :
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) মেইনগেট সংলগ্ন কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়কে কোন স্পীড ব্রেকার না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপার করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইনগেট সংলগ্ন মহাসড়কে বাস-ট্রাকের ঊর্ধ্বগতি লক্ষণীয়, যা সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য হুমকিস্বরূপ।
কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্পীড ব্রেকার থাকা সত্ত্বেও দুই জেলার (ঝিনাইদহ -কুষ্টিয়া) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি)মেইনগেটে নেই কোন স্পীড ব্রেকার। বাংলাদেশ যোগাযোগ ও পরিবহন মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্পীডব্রেকার থাকা আবশ্যক। কিন্তু তার কোন বালাই নেই ইবির মেইনগেটের মহাসড়কে। বাসের গতিসীমা সর্বোচ্চ ২০কি.মি লেখাসম্বলিত সাইনবোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই সীমান্তে শোভা পেলেও চালকদের সেদিকে কোন ভ্রূক্ষেপ নেই। গতিসীমা সর্বোচ্চ ২০ কি.মি লেখাসম্বলিত স্থানে ৪০-৬০ কি.মি গতি পর্যন্ত লক্ষ্য করা যায়। বর্তমানে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গিয়েছে রাস্তায় লেখা ৪০কি.মি. এতে যেকোনো সময়ই ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনার, যা কাম্য নয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইনগেটের সামনে বাস স্টপেজ থাকলেও সেখানে শিক্ষার্থীদের বাসে উঠতে হয় একরকম লড়াই করেই ।বাসে উঠার আগে চলতে থাকে গাড়ির চাকা। যার ফলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
এ বিষয়ে সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফ উল্লাহ বলেন, দৈনন্দিন কাজে প্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক পার হতে হয়। রোডে স্পীডব্রেকার না থাকায় ভয় পাই ও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হতে হয়।তাই প্রশাসনের নিকট দাবি দ্রুতই স্পীড ব্রেকার স্থাপন করা হোক এবং ফুটওভার ব্রিজ তৈরি করা হোক যাতে রাস্তা পারাপারের ঝুঁকি কমে
ও ছাত্র-ছাত্রীদের সুবিধা হয়।
ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী সুজন আহম্মেদ বলেন , কুষ্টিয়া – খুলনা মহাসড়ক একটি ব্যস্ততম সড়ক। এই মহাসড়ক দিয়ে প্রায় জেলার গাড়ি চলাচল করে বিশেষ করে ট্রাক,নসিমন, করিমন, ভটভটিসহ অসংখ্য গাড়ি। ব্যস্ততম এই মহাসড়কে নেই কোন স্পীডব্রেকার, যে কোন মূহুর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। মাঝে মধ্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপার হতে হয়। তাই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কতৃপক্ষের নিকট দাবি দ্রুত এই মহাসড়কে স্পীডব্রেকার স্থাপন করা হোক।
এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড.জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমরা চিফ ইঞ্জিনিয়ার অফিসে জানিয়েছি আশা করি খুব শ্রীঘ্রই কাজ শুরু হবে এবং দুর্ভোগের সমাপ্তি ঘটবে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড.মাহবুবুর রহমান বলেন,
স্পীড বেকার আমাদের মেইন গেইট এ দু’দিকে থাকাটা আবশ্যিক। আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা পাড় হয় তাদের নিরাপত্তার জন্য থাকাটা আবশ্যিক এবং আমার মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দিয়ে যে গাড়িগুলো যাবে তারা যেন গতিসীমা লঙ্ঘন নাহ করে। আমি চাই যে হাইওয়ের যারা আছেন যথাযথ কর্তৃপক্ষ তারা দৃষ্টি দেবেন।
প্রধান সড়কে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য ফুটওভার ব্রিজের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন, ফুটওভার ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাহিরে অবস্থিত তবে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়ে ফুটওভারের আবেদন পেলে আমরা রোড হাইওয়ে বিভাগকে আমরা জানাবো।
