ঢাকাWednesday , 3 August 2022
  • অন্যান্য

রাজশাহীর বাঘায় বাচ্চাদের ঝগড়ায় পিতার ২০ সেলাই।

Link Copied!

 

বাঘা ( রাজশাহী) প্রতিনিধি।

খেলার মাঠে বাচ্চাদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে বাচ্চার পিতাকে মারপিট করে গুরুতর ভাবে আহত করেছে অন্য বাচ্চার পিতা। ঘটনাটি ঘটেছে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়নে।

সোমবার সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭ টায় দিঘা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দিঘা বোলারবাড়ি গ্রামের ডাঃ মৃত আমিনুল হকের ছেলে শরিফুল ইসলাম @তিতাস কে অন্য বাচ্চার পিতা আইনাল আলী সহ ১০ থেকে ১২ মিলে মারপিট করে আহত করেছে বলে জানাযায়।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানাযায়, দিঘা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দুই বাচ্চার খেলার সময় ঝগড়া বাধে। এক বাচ্চার পিতা শরিফুল ইসলাম তিতাস এসে তার নিজের সন্তানকে একটি থাপ্পড় মেড়ে বকা ঝকা করে এবং সবার সঙ্গে খেলতে বারণ করে। এতে অন্য বাচ্চাটি গিয়ে তার পিতা আইনাল আলীকে অভিযোগ করে। অন্য বাচ্চার পিতা দিঘা এলাকার তাহের আলীর ছেলে আইনাল আলী সহ খোকন, বিষু,আসলাম , সাজেদুর, সাহিন, আতিক সহ মোট ১০ থেকে ১২ জন দেশিয় অস্ত্র হাতে এসে তিতাস কে কোন কথা ছাড়ায় মারপিট শুরু করে। এ ঘটনায় তিতাস গুরুতর ভাবে আহত হয়। সে বর্তমানে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা ধীন অবস্থায় রয়েছে। তিতাসের মাথা, কপাল ও ঠোঁটে মোট ২০ টি সেলাই দেওয়া হয়েছে বলেও জানায় তারা।

নাম গোপন রাখার শর্তে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানায়, আইনাল আলী খুব উগ্র ও বদমেজাজী মানুষ। সে ছোট ছোট বিষয়কে কেন্দ্র করে মাঝে মধ্যেই এলাকার মানুষদের সাথে ফেসাদ সৃষ্টি করে।এলাকার অধিকাংশ মানুষই তার আচরণে ক্ষুব্ধ, সে কাউকে সম্মান করেনা। ছোট বিষয় নিয়ে আইনাল আলী এলাকার সম্মানিত ব্যক্তিদের সাথে অসভ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ কথা বার্তা বলে থাকে। দিঘা বাজারের পাশেই তার বাড়ি, সেই সুবাদে ঝামেলা হলেই হাসুয়া, দা হাতে বাজারে ঘোড়া ঘুড়ী করে সে। সম্মানের ভয়ে তার থেকে দূরে থাকে বাজারের অধিকাংশ মানুষ।

এ বিষয়ে জানতে একাধিক বার আইনাল আলী সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

আহত তিতাস জানান, আমার ছেলে ও আইনালের ছেলের মধ্যে খেলার বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়। বিষয়টা আমি যানতে পারার সাথে সাথে মাঠে গিয়ে আমার ছেলেকে একটি থাপ্পড় মাড়ি। আর বলি সবার সাথে মিসিস কেন, সেই সাথে বলি যারতার সঙ্গে খেলবিনা। এবার আইনালের ছেলে তাকে গিয়ে কি বলেছে আমি যানিনা! হঠাৎ আইনাল, খোকন, বিষু, আসলাম, সাজেদুর, সাহিন, আতিক সহ মোট ১০ থেকে ১২ জন এসে আমাকে মারপিট শুরু করে। সেই সময় আইনালের হাতে থাকা হাসুয়া দিয়ে সে আমার গলা বরাবর আঘাত করে, আল্লাহর রহমতে আঘাতটি আমার মাথায় লাগে। পরে সে আবার আঘাত করলে আমার ঠোঁট কেটে দাত বেরহয়ে যায়। অন্যরা এলোপাথাড়ি ভাবে মারপিট করতে থাকে, এক পর্যায়ে আমি মাটিতে পরে যায়। আমার চিৎকারে স্থানীয়রা এসে তাদের হাত থেকে আমাকে উদ্ধার করে এবং চিকিৎসার জন্য বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়। তবে আমার বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগ কি, বা কি কারণে আমাকে মারপিট করলো আমি এখনো জানি না!

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।