মোঃ নাজমুল হক ,স্টাফ রিপোর্টার
নওগার নিয়ামতপুর উপজেলার ৫ নং রসুলপুর ইউনিয়নের ডাহুকাপাড়া গ্রামে বসতবাড়ির জায়গা-জমি নিয়ে শহিদুল নামের এক ব্যক্তিকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধরের অভিযোগ উঠেছে শহীদুলের আপন বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগসূত্রে জানা যায় বিবাদী (১) মোঃ বাবু (৪৫) পিতা-মোঃ সেকেন্দার আলী, ২। মোঃ মিজান (২২), ৩। মোঃ সিজান(২৫) উভয়পিতা-মোঃ বাবু, সর্বসাং-বনগাপাড়া, থানা- নিয়ামতপুর, ৪। মোঃআলিম হোসেন (৩৫) পিতা-মোঃ রশিদ, সাং-কালোপুর, থানা-শিবগঞ্জ। বিবাদীগণের সঙ্গে বাড়ি-ভিটা সংক্রান্ত পারিবারিক বিরোধ দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসছে। উক্ত বিরোধের জের ধরে গত ১৫ জুলাই শুক্রবার দুপুর আনুমানিক ১২.০০ টার সময় নিয়ামতপুর উপজেলার ৫নং রসুলপুর ইউনিয়নের ডাহুকাপাড়া গ্রামে বাদীর বসতবাড়ির সামনে বসতভিটাকে কেন্দ্র করে সকল বিবাদীগণ মিলে লোহার রড, বাঁশের লাঠি ইত্যাদি দিয়ে বাদী শহিদুল ইসলামকে এলোপাতাড়ী মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছিলা কালো শিরা জখম করে এবং ১নং বিবাদী হাতে থাকা বাঁশের লাঠি দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে বাদীর মাথায় আঘাত করে। এতে মাথা দিয়ে রক্ত বের হলে গুরুত্বর জখম হন বাদী শহিদুল। এসময় শহিদুলের বাবা বিরোধ ঠেকানোর চেষ্টা করলে ১নং ও ২নং বিবাদীগণ শহিদুলের বাবাকেও মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছিলা কালো শিরা জখম করে। শহিদুলের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসে এবং শহিদুলকে গুরুত্বর মূমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। এ অবস্থায় দায়িত্বে থাকা ডাক্তার বাদীর মাথায় ৮টি সেলাই দিয়েছেন। নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
