মনা নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
মানবিক সহায়তা কর্মসূচির অধীন সরকার কমমূল্যে দেশের দরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে ওএমএস(ওপেন মার্কেট সেল)’র মাধ্যমে খাদ্যপণ্য বিতরণ করে থাকে। আজ মঙ্গলবার(৪ এপ্রিল) বেনাপোলের বিভিন্ন এলাকায় ডিলারের মাধ্যমে ওএমএস’র চাল বিতরণ কালীন সময় এ দৃশ্য ধরা পড়ে। চাল বিতরণ কেন্দ্র গুলোয় সকাল থেকে লম্বা লাইন লক্ষ্য করা যায়।
বেনাপোলের বিভিন্ন এলাকায় নির্ধারিত ওএমএস এর “ডিলার কেন্দ্র” গুলো পরিদর্শন করেন শার্শা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মামুন হোসেন খান।
ভোক্তাদের স্বস্তি দিতে হতদরিদ্রদের জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত “ডিলার কেন্দ্র” গুলোয় ওএমএস এর চাল সঠিক ভাবে বিক্রি করা ও কোন রকম কারচুপি হচ্ছে কিনা, তা তদারকি করতেই খাদ্য কর্মকর্তার এমন অভিযান।
এ সময় তিনি বেনাপোল পোর্টথানাধীন ছোট আঁচড়া মোড়ে জুলফিকার আলী মন্টু কর্তৃক পরিচালিত “ডিলার কেন্দ্র”, অত্র থানাধীন কাগজপুকুরে জুলফিকার আলী জুলু, দিঘিরপাড়ে আঃ মালেক ও বেনাপোল পৌরসভা কার্যালয়ের পাশে অবস্থিত মাহাতাব উদ্দিন এর “ডিলার কেন্দ্র” পরিদর্শণ করেন।
ডিলার জুলফিকার আলী মন্টু বলেন, সরকার নিম্ন আয়ের মানুষের কথা চিন্তা করে ওএমএস এর মাধ্যমে চাল বিক্রি শুরু করে। দেশের অন্যান্য স্থানের মত প্রতিদিন ২০০ জন নিম্ন আয়ের মানুষ ৩০ টাকা দরে জনপ্রতি ৫ কেজি করে চাল কিনতে পারবেন।
এই ৪ ডিলারের মাধ্যমে বেনাপোলে সপ্তাহে শুক্রবার ও শনিবার বাদে ৫ দিন এ কার্যক্রম চালু রয়েছে।
বেনাপোল সাদিপুর গ্রামের ভুক্তভোগী সাদিয়া খাতুন (শ্রমিক) বলেন, “চালের দাম ৩০ টাকা প্রতি কেজি পেয়ে আমরা খুশি, পরিবার নিয়ে এখন আমাদের আর বেশি চিন্তা করতে হয় না। এজন্য তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান।
শার্শা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মামুন হোসেন খান বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে হতদরিদ্রদের মাঝে সুষ্ঠ ভাবে চাল বিক্রি হচ্ছে, এটা সরকারের একটা মহৎ উদ্যোগ, এই মহৎ উদ্যোগকে ত্রুটিপূর্ণ ভাবে সফল করতে হবে, চাল বিতরণে কোন ডিলার যেন কোনভাবে কারচুপি করতে না পারে সেজন্য তিনি চাল বিক্রয় কেন্দ্র গুলো নিয়মিত পরিদর্শন করছেন বলে জানান।
