আলমগীর হোসেন,নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
বঙ্গবন্ধুর তর্জনী ও ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ।অতঃপর, একটি দেশের স্বাধীনতা।এই স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্রপথিক ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ’।৪ জানুয়ারি ১৯৪৮ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নিয়ে লিখেছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আল-মাহমুদ কায়েস।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আমার যৌবনের শুধু প্রথম প্রেম নয়,বিরামহীন আমৃত্যু ভালবাসার নাম।এখানে বিরহ নেই, বিচ্ছেদ নেই।এখানে প্রথম, দ্বিতীয় বলতে কিছু নেই।যা আছে তার পুরোটাই তুলনাহীন নিঁখাদ ভালোবাসা।
অনিশ্চিত ভবিষ্যতে কে রাখে পা?কে ধরে জীবনের সাথে বাজি?অথচ যাপিত জীবনের নিয়মের বাইরে হেঁটে চলেছি তো চলেছিই।এই চলতে চলতে পা হড়কে কতবার যে গিয়েছি পড়ে। সামলে নিয়েছি, হেঁটেছি গন্তব্য ধরে।জীবন থামেনা, থামেনা অন্তহীন পথচলা।
সংগ্রামময় এ পথে এমনি এমনি হাঁটা নয়,আবেগের আতিশয্যে গা না ভাসিয়ে বাস্তবতাকে গ্রহণ করেছি মন থেকেই।যে সুর বাজে মনের গহীনে, তাকে অন্তরে রেখেই বাকি পথটাও হাঁটতে চাই।ধরে যেতে চাই জয় বাংলা স্লোগান।রেখে যেতে চাই পায়ের ছাপ শরীরের উত্তাপ।একদিন রাজপথ সাক্ষ্য দেবে,বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়াই ছিল দৃপ্ত শপথ।
ছাত্রলীগ করা ছেলেগুলো রাজপথে লড়ে যায়। সব ব্যথা নিভৃতে সয়ে যায়।তবু তারা অবহেলিত প্রতিটি ক্ষেত্রে।তারপরেও তারা আদর্শে অটল থেকে চলে জীবনের রণক্ষেত্রে।দিনের শেষে তারাই থাকে, তারাই থাকতে চায়।কেননা ত্যাগীরাই বুক পকেটে বিরহ নিয়ে হাঁটে।
যেখানেই সুন্দর, সেখানেই ছাত্রলীগ।তারা সুন্দর গড়ার কারিগর।তারা প্রত্যয়ী, তারা বিনয়ী, তাদের হারতে নেই মানা।বিরহ বুকে নিয়েই লড়াই করার মন্ত্র যে তাদের জানা।সংগ্রামী জীবন থেকে তারা পালাবার পথ খুঁজে না।তাঁরা সেই পথ খোঁজে,যে পথ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশায়।সে পথে ছাত্রলীগ দুরন্ত-দুর্বার-
বি:দ্র:
অনুলিখন: আলমগীর হোসেন
