স্টাফ রিপোর্টারঃ আহাদ তালুকদার।
আগৈলঝাড়া বরিশাল জেলার অন্যতম শস্য উৎপাদনকারী উপজেলা আগাম ইরি-বোরো চাষে নেমেছে চাষিরা। চলতি বোরো মৌসুমের শুরুতেই কনকনে শীত উপেক্ষা করে। বীজতলা থেকে রাজ আহরণ করে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধানের চারা (বীজ) লাগাতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন চানিরা।
বর্তমান আবহাওয়ার মতো চাদের সময়ে আবহাওয়া অনাহত অনুকূল থাকলে এবছরও বাম্পার ফলনের আশা করছে কৃষি প্রসারণ বিভাগ। সরকারি প্রণোদনার অংশ হিসেবে বোরো মৌসুম শুরুর আগেই চলতি রবি মৌসুমে ১৬৫০ জন চাষিকে সরিষা, ভুট্টা, মুখ, মসুর, খেসারিসহ বিভিন্ন শস্যের বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও সরকারের পুনর্বাসন বীজ সহায়তা ও প্রণোদনার আওতায় কৃষকেরা। উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের ৫হাজার ৩শ জন কনক পরিবারকে ২কেজি করে হাইব্রিড ধান বীজ ও ৫শ জনকে
উফসী বীজ ও সার সহায়তা দেওয়া হয়েছে। উপজেলায় মোট আবাদি জমির মধ্যে ৯ হাজার ১শ ৬০ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড ধান ও ২শ ৫০ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল (উষ্ণসী) বোরো ধান আবাদ করা হবে।
উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার সুভাষ চন্দ্র মণ্ডলে কাছে জানতে চাইলে তিনি তথ্যাদিতে অপারগোতা প্রকাশ করে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ দোলন চন্দ্র রায় জানান, চলতি বোরো মৌসুমে উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে মোট ৯ হাজার ৪শ ১০ হেক্টর জমি ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এরমধ্যে আগাম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ত্য হেক্টর জমি। চানকৃত জমিতে ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যমাळ নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ হাজার ৬শ ৯০মেট্রিক টন চাল। ইতোমধ্যেই বিভিন্ন এলাকায় আগাম চাষ শুরু করেছেন।
আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং কীটপতঙ্গের আক্রমণ কম হলে এবছরও ফসলের বাম্পার ফলন হবে বলে আশাকরি।
